ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক উন্নয়ন, প্রশাসনিক উদ্যোগ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, মেধা বৃত্তি প্রদান ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চায় নতুন ট্রাস্ট ফান্ড ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক পরিমণ্ডলে সম্প্রতি বিভিন্ন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিস্টইয়োওয়াতি। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে, সমকামী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুজন শিক্ষার্থীর হলের আবাসন চিরতরে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালকের বিরুদ্ধে এক ভাষাবিদের নিয়োগ নবায়নে জটিলতা তৈরির অভিযোগ ওঠে।
শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে ক্যাম্পাসে একাধিক ইতিবাচক উদ্যোগ দেখা গেছে। সংগীত বিভাগের দুজন শিক্ষার্থী ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক ও ১১ জন স্মৃতি বৃত্তি লাভ করেছেন। থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের ১২ জন শিক্ষার্থীকে আলী যাকের গবেষণা বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ফজলুল হকের অবদান স্মরণে রাখতে টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্র বিভাগে একটি ট্রাস্ট ফান্ড তৈরি করা হয়। শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক দক্ষতা বাড়াতে ডাকসু মাসব্যাপী লেখালেখি ও অভিনয় কর্মশালার সূচনা করেছে এবং কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন করেছে।
রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ বেশ সক্রিয় ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা ও জনহিতকর কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়ে ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা করেছে ছাত্রদল। তাছাড়া ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নানা বক্তব্যের প্রতিবাদে এবং তাঁকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিতে ঢাবি ছাত্রদল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। একই সাথে চলতি সপ্তাহে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটির নাম প্রকাশ পেতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে উপাচার্য ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে দেশীয় ভাবাদর্শকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতি জোর দিয়েছেন।
