অস্ত্র সংকটের খবর নাকচ ট্রাম্পের, তথ্য ফাঁসকারীদের দীর্ঘ কারাদণ্ডের হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্রে কোনো অস্ত্র ঘাটতি নেই দাবি করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বিভিন্ন নথিপত্র মার্কিন অস্ত্রাগারে টান পড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ও অস্ত্রাগারে ঘাটতি রয়েছে বলে প্রচারিত খবর পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনের কাছে বিশাল অস্ত্র মজুত রয়েছে দাবি করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের কারণে থমকে যেতে পারে বলে খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, বর্তমানে সে দেশে রেকর্ডসংখ্যক নতুন সামরিক কারখানা স্থাপিত হচ্ছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রদ্রোহী তথ্য ছড়ানো ব্যক্তি বা ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়ার আবেদন করা হবে।
আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে অস্ত্র সংকটের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। দূরপাল্লার গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতির তথ্য পাওয়ার পর ইরানে বিমান হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়। তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ সত্যহীন বলে দাবি করেছেন।
এর আগে অন্য এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রাগার বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় শক্তিশালী। তবে মার্কিন কংগ্রেসে পেন্টাগনের সম্প্রতি দাখিল করা ৬৭ বিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিলের আবেদন ভিন্ন চিত্র নির্দেশ করে। এর মধ্যে প্যাট্রিয়ট, থাড ও টমাহকের মতো আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জন্যই বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে ১৮.২ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিএসআইএস তাদের বিশ্লেষণে দেখিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাতের ফলে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
