এসি ও ফ্রিজ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর সহজ উপায়
দৈনন্দিন কিছু অসচেতনতার কারণে এসি ও ফ্রিজে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হয়। ব্যবহারের কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে সহজেই মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল অনেকখানি কমানো সম্ভব।

গ্রীষ্মকালে বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ খরচের একটি বড় অংশ ব্যয় হয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ও রেফ্রিজারেটরে। ইনভার্টার বা নতুন প্রযুক্তির পণ্য ব্যবহার করলেও কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে মাস শেষে বিল বেশি আসতে পারে। তবে দৈনন্দিন ব্যবহারের কৌশলে সামান্য পরিবর্তন আনলেই বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব।
ঘর দ্রুত শীতল করার তাগিদে অনেকেই এসির তাপমাত্রা ১৬ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে আনেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় না বরং কম্প্রেসর বেশি সময় চলায় বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়ে। তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রিতে রাখা সবচেয়ে কার্যকর ও আরামদায়ক। এ ছাড়া, এসি চলার সময় জানালা-দরজা বন্ধ রাখা এবং পর্দা দিয়ে রোদ আটকানো প্রয়োজন। বাতাস চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রতি দুই থেকে চার সপ্তাহে এসির ফিল্টার পরিষ্কার করা উচিত।
ফ্রিজে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচের অন্যতম কারণ গরম খাবার রাখা। রান্না করা খাবার ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এলে তবেই ফ্রিজে তোলা ভালো। ঘন ঘন দরজা খোলা কিংবা দীর্ঘক্ষণ খোলা রাখলেও ভেতরের শীতলতা কমে গিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে।
দেওয়ালের একেবারে কাছাকাছি ফ্রিজ না রেখে পেছনের ও দুপাশের দিকে কিছুটা ফাঁকা রাখা প্রয়োজন, যাতে ভেতরের তাপ সহজে বের হতে পারে। অতিরিক্ত বরফ জমলে কুলিং কমে যায়, তাই নিয়মিত ডিফ্রস্ট করা আবশ্যক। যন্ত্রগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও সচেতন ব্যবহারই বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখার মূল উপায়।
