দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলেই কমানো সম্ভব বিদ্যুৎ বিল

প্রযুক্তি ৮ আগস্ট ২০২৬ ৪৫৮৯

দৈনন্দিন জীবনে কিছু ছোটখাটো অভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের অপচয় রোধ করে মাসের বিদ্যুৎ বিল অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। সচেতন ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করা যায়।

দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলেই কমানো সম্ভব বিদ্যুৎ বিল

মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল দেখে অনেকে চিন্তায় পড়েন। অথচ ঘরের সামান্য কিছু ব্যবহারের নিয়মে বদল আনলে কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই বিদ্যুতের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানো যায়।

প্রয়োজন শেষে গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি দ্রুত বন্ধের চর্চা করা উচিত। ঘর ত্যাগ করার সময় পাখা, আলো ও টেলিভিশন বন্ধ রাখা এবং মোবাইল পূর্ণ চার্জ হলে চার্জার প্লাগ থেকে খুলে ফেলার মাধ্যমে বিদ্যুৎ অপচয় থামানো যায়। এছাড়া তীব্র গরমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসির তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রিতে না রেখে ২৫ বা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চালানো বুদ্ধিমানের কাজ। এতে ঘর আরামদায়ক থাকার পাশাপাশি যন্ত্রের ওপর চাপ কম পড়ে। ঘরের দরজা-জানালা আটকে রাখলেও এসি দ্রুত ঘর ঠান্ডা করতে পারে।

রেফ্রিজারেটরের দরজা ঘনঘন খোলা এড়ানো প্রয়োজন, কারণ এতে ভেতরের ঠান্ডা বাতাস বের হয়ে গিয়ে কম্প্রেসারের কাজের চাপ বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি গরম খাবার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে তবেই ফ্রিজে রাখা উচিত। অন্যদিকে দিনের বেলা অহেতুক বাতি না জ্বালিয়ে জানালার পর্দা সরিয়ে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা ভালো।

কম্পিউটার, গেমিং কনসোল কিংবা টেলিভিশন শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ করে স্ট্যান্ডবাই মোডে রেখে দিলে সামান্য হলেও বিদ্যুৎ খরচ হতে থাকে। তাই ব্যবহারের পর মূল পাওয়ার সুইচ বন্ধ করা আবশ্যক। পুরনো সিএফএল ও সাধারণ বাতির বদলে এলইডি বাল্ব লাগালে বিদ্যুতের খরচ অনেক কমে যায়।

পোশাক ধোয়া ও ইস্ত্রি করার ক্ষেত্রেও কৌশলগত পরিবর্তন আনা সম্ভব। অল্প অল্প করে বারবার কাপড় না ধুয়ে ওয়াশিং মেশিনে একবারে বেশি কাপড় ধোয়া এবং প্রতিদিন অল্প কাপড় ইস্ত্রি না করে নির্দিষ্ট দিনে সব পোশাক একসঙ্গে আয়রন করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সর্বশেষে, এসি, ফ্রিজ কিংবা পানির পাম্পের মতো যন্ত্রগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে সেগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন