দেশে বাড়ছে এসইও সেবার চাহিদা: কার্যক্রম বাড়াচ্ছে ভাইজার এক্স
বাংলাদেশে ডিজিটাল বিপণনের অংশ হিসেবে এসইও সেবার চাহিদা বাড়ায় উত্তরার ভাইজার এক্স নিজেদের অবস্থান জোরদার করছে। নতুন এআই অনুসন্ধানের সাথে তাল মিলিয়ে সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা এসইও সেবার প্রতি আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সুযোগে ঢাকার উত্তরাভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি ভাইজার এক্স তাদের সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে। সংস্থাটির বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগ জানায়, গত এক বছরে বহু প্রতিষ্ঠান এসইও সেবার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করেছে।
বর্তমানে শুধু গুগলে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষ চ্যাটজিপিটি, গুগল এআই ওভারভিউজ এবং পারপ্লেক্সিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার খোঁজ করছে। পরিবর্তিত এই ডিজিটাল বাস্তবতায় ক্লায়েন্টদের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখতে ভাইজার এক্স তাদের এসইও কৌশলে সময়োপযোগী পরিবর্তন এনেছে। বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের ৫ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই এজেন্সির বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে অর্গানিক ট্রাফিক সর্বোচ্চ ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
এসইও-কে অতিরিক্ত খরচ না ভেবে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে দেখছে অনেক প্রতিষ্ঠান। যেমন, দেশের পরিচিত আসবাবপত্র ব্র্যান্ড হাতিল ফার্নিচারের চার মাসের একটি প্রকল্পে অর্গানিক ট্রাফিক ১১৬ শতাংশ বৃদ্ধির পাশাপাশি ৪০ লাখের বেশি ইমপ্রেশন অর্জনে ভূমিকা রাখে ভাইজার এক্স। অন্যদিকে ব্র্যাক ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের ছয় মাসের এসইও কার্যক্রমে অর্গানিক ট্রাফিক ৮১ শতাংশ বাড়ে এবং ২১৬টি নতুন কিওয়ার্ড গুগলের শীর্ষ ফলাফলেই স্থান পায়।
ভাইজার এক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ফয়সাল মোস্তফা জানান, পণ্য বা সেবা খোঁজার প্রাথমিক মাধ্যম এখন সার্চ ইঞ্জিন হলেও এর কার্যপ্রণালী দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এআইভিত্তিক মাধ্যমগুলোর নতুন ধরনের কথা মাথায় রেখে ব্যবসাগুলোকে গুগলের পাশাপাশি চ্যাটজিপিটি ও পারপ্লেক্সিটির মতো প্ল্যাটফর্মেও দৃশ্যমান করা অত্যন্ত জরুরি। তাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য টেকসই এসইও কৌশল তৈরি করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
