শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন: আইনি প্রক্রিয়ার চেয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমীকরণই মুখ্য

আন্তর্জাতিক ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৮৫০

নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনের পর শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। বিশ্লেষকদের মতে, আইনি জটিলতার চেয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভারত-বাংলাদেশ কূটনীতির ওপরই নির্ভর করছে তাঁর ফেরার বিষয়টি।

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন: আইনি প্রক্রিয়ার চেয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমীকরণই মুখ্য

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর বিগত দুই বছরে তাঁর প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি একাধিকবার আলোচনায় এলেও এবারই প্রথম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার ইচ্ছে জাহির করলেন।

বর্তমান সরকার শুরু থেকেই দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফিরিয়ে আনার তাগিদ দিচ্ছে। অন্যদিকে, চুক্তির ফাঁকফোকর ও নানা শর্ত কাজে লাগিয়ে ভারত তাকে হস্তান্তরে গড়িমসি করতে পারে বলে দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বউদ্যোগে তাঁর দেশে ফেরায় কোনো আইনি বাধা না থাকলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা ও আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি তাকে হতেই হবে।

রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের ধারণায়, এই প্রত্যাবর্তন আইনি বিষয়ের চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইস্যু। বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং দেশের ভেতরের রাজনৈতিক পটভূমির ওপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে। তাছাড়া, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই বক্তব্য তাঁর আসল ইচ্ছা নাকি স্রেফ কৌশলগত চাল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন