এআই দিয়ে অপপ্রচার ও হেয়প্রতিপন্ন করা সামাজিক অপরাধ: মেহজাবীন চৌধুরী

বাংলাদেশ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪৭০০

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে অসত্য তথ্য ছড়ানো এবং অন্যের অবমাননার মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আয় ও জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রবণতাকে অপরাধ বলে অভিহিত করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।

এআই দিয়ে অপপ্রচার ও হেয়প্রতিপন্ন করা সামাজিক অপরাধ: মেহজাবীন চৌধুরী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বানোয়াট তথ্য তৈরি ও তা ছড়িয়ে দিয়ে কাউকে অপমান করাকে অপরাধ বলে গণ্য করেছেন অভিনয়শিল্পী মেহজাবীন চৌধুরী। সামাজিক মাধ্যমে এসব ক্ষতিকর উপাদান ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে নেটিজেনদের ভূমিকা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় এক বার্তায় এসব অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

মেহজাবীন জানান, এ ধরনের অপপ্রচার হাজার হাজার মানুষের হাত ঘুরে ছড়িয়ে পড়া শুধু কোনো একক ব্যক্তির অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা সমাজের এক গভীর অবক্ষয়ের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। কাউকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার জন্য তাকে পরিবারের সদস্য হিসেবে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক, ভিউ, শেয়ার কিংবা কিছু অর্থ উপার্জনের লোভে অন্যের সম্মানহানি করার চর্চাকে অনুচিত বলে আখ্যা দেন এই অভিনেত্রী। জীবনধারণের জন্য কনটেন্ট তৈরি করাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখলেও অন্যের অপমানকে আয়ের হাতিয়ার করার বিষয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি সতর্ক করে দেন যে এই ডিজিটাল হয়রানির শিকার কিংবা অপরাধের অংশ যেকোনো লিঙ্গের মানুষই হতে পারেন। একই সঙ্গে অপরাধীদের তৈরি কনটেন্ট শেয়ার করে এই অপকর্মের অংশীদার না হয়ে নিজেদের বিবেকের পরিচয় দিতে তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন