পূর্বাচল ও ঝিলমিলে ফার সুবিধা দিয়ে ড্যাপ সংশোধনের নতুন প্রজ্ঞাপন প্রকাশ
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় নতুন সংশোধনী এনে পূর্বাচল ও ঝিলমিল প্রকল্পে ফার ছাড়সহ বেশ কিছু বিধিনিয়মে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে আবেদন ও নির্মাণের শর্ত সাপেক্ষে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

পূর্বাচল ও ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের প্লট মালিকদের ভবন নির্মাণে অতিরিক্ত ফার বা ফ্লোর এরিয়া রেশিও সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা ২০২২–২০৩৫ মেয়াদের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় বা ড্যাপে এই ছাড় অন্তর্ভুক্ত করে সম্প্রতি সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার আওতায় পূর্বাচল ও ঝিলমিলের সর্বনিম্ন পাঁচ কাঠা কিংবা তার চেয়ে বড় পরিমাপের প্লটে বিদ্যমান ফার হারের সঙ্গে অতিরিক্ত শূন্য দশমিক পাঁচ প্রণোদনা হিসেবে যোগ হবে।
এই বাড়তি ফার সুবিধা গ্রহণ করতে হলে প্লট মালিকদের চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে রাজউকে নকশা অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত নকশা পাসের তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে ভবনের প্লিন্থ পর্যায় পর্যন্ত নির্মাণকাজ শেষ করার শর্ত দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে না পারলে নকশা ফি-র বিশ গুণ অর্থ রাজউককে জরিমানা দিতে হবে।
নতুন সংশোধনীতে ঢাকার আইলবহর মৌজার ১০৪৭, ১০৪৮ ও ১০৫০ দাগের জমিকে উন্মুক্ত স্থান থেকে পরিবর্তন করে শর্তসাপেক্ষে ভারী শিল্প এলাকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এলাকাটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় জলপথ ও তীরভূমি নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত ২০১০ সালের বিধি মেনে বিআইডব্লিউটিএর ছাড়পত্র নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষেত্রবিশেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অনাপত্তি ও অনুমতি পাওয়ার পরেই রাজউকের কাছে নকশার আবেদন করা যাবে।
এ ছাড়াও স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি সংক্রান্ত বিষয়ে জলস্রোত ওভারলে জোন ও সাধারণ ভূমি ব্যবহারের বিধিতে বৈপরীত্য দেখা দিলে সেটিরও সমাধানের নিয়ম নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি খাসজমি, রাস্তা কিংবা যেকোনো ধরণের জলাশয় বাদে অন্য জমির ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহারের নিয়মই প্রাধান্য পাবে।
