পারিবারিক ভোগব্যয় বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার তাগিদ আইএমএফের

বাংলাদেশ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪৬৬৩

বাংলাদেশসহ এশিয়ার উদীয়মান দেশে সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থান বাড়িয়ে পারিবারিক ভোগব্যয় বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে আইএমএফ। এতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা শক্তিশালী হতে পারে।

পারিবারিক ভোগব্যয় বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার তাগিদ আইএমএফের

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) 'রিজিওনাল ইকোনমিক আউটলুক- এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক' প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে পারিবারিক ভোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, বয়স্কদের পেনশন সুবিধা বৃদ্ধি, আয় ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে নগদ সহায়তা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সংস্কার বাস্তবায়ন করা গেলে মানুষের কেনাকাটা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উদীয়মান এশীয় দেশগুলোতে বিনিয়োগ ও বৈদেশিক চাহিদা প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখলেও পারিবারিক ভোগব্যয় পিছিয়ে রয়েছে। পেনশনের প্রতিস্থাপন হার বাড়িয়ে অবসরের পর আগের আয়ের প্রায় ৫৮ শতাংশে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে। বয়স্ক জীবনের নিরাপত্তায় আগাম সঞ্চয়ের চাপ কমলে ২০১৬ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে এসব দেশে বার্ষিক ভোগব্যয় গড়ে ০.৫ থেকে ২.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। এতে সরকারি খরচ জিডিপির প্রায় ০.৪ শতাংশ বাড়তে পারে, যা অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো ও কর আদায়ের মাধ্যমে সামলানো সম্ভব।

একই সঙ্গে দেশের সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ আয়ের সীমার নিচে থাকা পরিবারগুলোকে শর্তসাপেক্ষে নগদ আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ জন্য জিডিপির প্রায় ১ শতাংশ খরচের প্রাক্কলন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি শ্রমশক্তিতে পুরুষ ও নারীর অংশগ্রহণের পার্থক্য অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হলে সার্বিক উৎপাদন প্রাক্কলিত সাধারণ অবস্থার তুলনায় ৬.৪ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

সংস্থাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশগুলোতে নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর বড় সুযোগ রয়েছে। বিদ্যমান সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার নতুন করে ঠিক করে এবং সার্বিক খরচ ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি করে এই খাতগুলোতে অর্থায়ন করা সম্ভব।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন