যমজ সন্তান লালন-পালন ও তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ার অভিজ্ঞতা
যমজ শিশুদের প্রতিপালনের অভিজ্ঞতা এবং তাদের আলাদা ব্যক্তিত্ব ও মনস্তত্ত্ব তুলে ধরেছেন এক মা।

যমজ শিশুদের দেখাশোনার ক্ষেত্রে মা-বাবাকে নানা রকম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। একই সঙ্গে বেড়ে ওঠা দুটি সন্তানের আচরণ ও মানসিকতা বুঝে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা অন্য অভিভাবকদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
যমজ সন্তান জন্ম নেওয়ার পর অনেকেই ধরে নেন মা হয়তো প্রচণ্ড মানসিক ক্লান্তিতে রয়েছেন। তবে বিষয়টি সবসময় সত্যি নয়। ধীরে ধীরে প্রতিটি শিশুর মেজাজ ও চালচলনের তফাত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শিশুরা নিজেরা একে অপরের মনোভাব খুব দ্রুত বুঝে ফেলে, যা তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ককে মজবুত করে।
একই পরিবারের অংশ হলেও যমজদের চরিত্র ও চাওয়া-পাওয়া ভিন্ন হতে পারে। বয়স বাড়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হওয়াটাও স্বাভাবিক ঘটনা। রক্ত এক হলেও তাদের স্বকীয়তা আলাদা। তাই প্রতিটি সন্তানের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলতে সাহায্য করা এবং তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে সুসম্পর্ক তৈরি করাই অভিভাবকদের প্রধান দায়িত্ব।
