সিসা দূষণ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ পরিবেশ মন্ত্রীর
সিসামুক্ত বাংলাদেশ গঠনের দশ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদের যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত সেমিনারে এ তাগিদ দেন পরিবেশমন্ত্রী।
রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে দেশ থেকে সিসা দূষণ নির্মূলের কৌশলগত রূপরেখা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক সিসা বিষক্রিয়া প্রতিরোধ সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ‘সিসামুক্ত বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে পিওর আর্থ বাংলাদেশ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
অনুষ্ঠানে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় ২০২৬-২০৩৫ মেয়াদকালের জন্য সিসামুক্ত দেশ গড়ার জাতীয় পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো দূষণের উৎস চিহ্নিত করা, নজরদারি বাড়ানো, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও আইন শক্তিশালী করা, গবেষণার প্রসার ঘটানো এবং শিল্প খাতের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনুমোদন প্রাপ্তির পর মূল চ্যালেঞ্জ হলো এর মাঠপর্যায়ে যথাযথ প্রয়োগ। এই লক্ষ্য অর্জনে সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ, প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বাড়ানো, দূষিত অঞ্চল পুনর্বাসন ও নিরাপদ কারখানা ব্যবস্থাপনা জোরদার করা প্রয়োজন। এছাড়া পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বেসরকারি খাতের আর্থিক ও কারিগরি সমর্থন আহ্বান করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিষাক্ত পদার্থের প্রভাব ও প্রতিবিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী আহমেদ জাকী এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মান হায়দার। পিওর আর্থ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাস অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন।
