আবুধাবি দূতাবাসে সিপাহি-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে সিপাহি-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস। গত শনিবার (৭ নভেম্বর) আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে ১৯৭৫ সালের এই বিশেষ দিনের প্রেক্ষাপট, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান এবং দেশের সংহতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
সকালে জাতীয় নিশান উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের পর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঠানো বার্তা পড়ে শোনানো হয় এবং একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তী ধাপে দিবসের গুরুত্ব নিয়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত তারেক আহমদের সভাপতিত্বে এতে অংশ নেন জনতা ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেন তালুকদার, আবুল বাশার, নূর হোসেন সুমন, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল এবং সাখাওয়াত হোসেন বকুলসহ অনেকে। সবশেষে দেশের শান্তি, বিকাশ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অটুট রাখার প্রার্থনায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
আলোচকরা বলেন, ৭ নভেম্বর দেশের রাজনৈতিক পেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ। ১৯৭৫ সালের এই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ জাতির ইতিহাসে বিশেষ অধ্যায় হিসেবে গণ্য হয়। জিয়াউর রহমানের ভূমিকা স্মরণ করে তাঁরা জাতীয় একতা ও দেশের অখণ্ডতা টিকিয়ে রাখার গুরুত্ব ব্যক্ত করেন।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ঐক্য জোরদার করা, দেশের সার্বভৌমত্ব সুসংহত রাখা, গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় স্বার্থে এক হয়ে কাজ করাই এই দিবসের মূল শিক্ষা। অনুষ্ঠানে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত অর্জনকে স্মরণ করে প্রবাসীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
