পোর্টসমাউথের উন্নয়নে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় লর্ড মেয়রের সহায়তার আহ্বান
যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ সিটির শততম লর্ড মেয়র কাউন্সিলর আব্দুল কাদির শহরের অগ্রগতি ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকদের কাছে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের সহযোগিতা চেয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ সিটির প্রথম ব্রিটিশ-বাংলাদেশি লর্ড মেয়র কাউন্সিলর আব্দুল কাদির শহরের সার্বিক অগ্রগতি ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন। ১৫ অক্টোবর দুপুরে পোর্টসমাউথ সিটি কাউন্সিলের লর্ড মেয়রের পার্লারে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক প্রীতি বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিরের পরিচালনায় আয়োজিত এই সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন লর্ড মেয়র। শুভেচ্ছা বক্তব্য পেশ করেন সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান। মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেন, অধ্যাপক সাজিদুর রহমান, শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, ইমদাদুন খান, মির্জা আবুল কাসেম, আসমা মতিন, এ রহমান অলি, আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ এবং ইমরান তালুকদার।
বৈঠকে আব্দুল কাদির জানান, ১৯২৬ সালে পোর্টসমাউথ শহরের মর্যাদা লাভের পর থেকে হ্যাম্পশায়ার কাউন্টির এই স্থানীয় প্রশাসন কাজ করে আসছে। বর্তমানে তিনি এই সিটির ১০০তম লর্ড মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পালনকালে নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য, সম্মান ও সমঝোতা বৃদ্ধি করা তার প্রধান লক্ষ্য। একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত এবং বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিকভাবে এগিয়ে থাকা পোর্টসমাউথ গড়তে তিনি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
নিজের মাতৃভাষা ও শেকড়ের প্রতি অনুরাগের কথা উল্লেখ করে লর্ড মেয়র জানান, বাংলাদেশ হাই কমিশনের সহায়তায় পোর্টসমাউথে দ্রুতই একটি বাংলা স্কুল চালু করা হবে, যার মাধ্যমে অন্যান্য সংস্কৃতি ও ভাষার মানুষের কাছে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি সুপরিচিত করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠান শেষে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের নিয়ে টাউন হলের ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ ঘুরে দেখান। এই সময়ে মেয়রের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে স্মারক পিন এবং সংগঠনের সভাপতি ও সম্পাদকের হাতে মেয়রের বিশেষ ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকেও লর্ড মেয়রকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
